Summary
বাংলাদেশের উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম। এই শিল্পগুলো দারিদ্র্য বিমোচন ও স্বকর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। দেশের ৯৬% শিল্প এসব শিল্পের অন্তর্ভুক্ত, যা লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। স্বল্প মূলধন, স্থানীয় কাঁচামাল ও নারীদের কর্মশক্তি ব্যবহার করে এই শিল্পগুলো গঠিত হয়।
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের পরিসংখ্যান (জুন ২০১১):
- মোট ক্ষুদ্র শিল্পের সংখ্যা: ৯৩,৬৬০
- মোট কুটির শিল্পের সংখ্যা: ৬,৩৬,৫৭৭
- কর্মসংস্থান: ৩৩.৩৭ লক্ষ
এই শিল্পগুলো দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ছড়িতেও সাহায্য করে।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অগ্রগতির ক্ষেত্রে কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দারিদ্র্য বিমোচন স্বকর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে এর অবদান উল্লেখযোগ্য। দেশের ৯৬ ভাগ শিল্পই কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের আওতাভুক্ত। কর্মসংস্থানের বড় ক্ষেত্র হচ্ছে এ সকল শিল্প। দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ এ শিল্পের সাথে জড়িত। স্বল্প মূলধন, স্থানীয় কাঁচামাল, ব্যক্তিগত নৈপুণ্য, সৃজনশীলতা, পরিবারের সদস্যদের বিশেষ করে মহিলাদের কর্মশক্তি ব্যবহার করে এ জাতীয় শিল্পগুলো গড়ে উঠে। ফলে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে দেশের গ্রামীণ মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেকারত্ব দূরীকরণে কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য লালন ও বিকাশে এবং সারা বিশ্বে তা ছড়িয়ে দিতেও ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
দেশের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের পরিসংখ্যান : জুন ২০১১
মোট ক্ষুদ্র শিল্পের সংখ্যা ৯৩, ৬৬০
মোট কুটির শিল্পের সংখ্যা ৬,৩৬,৫৭৭
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ৩৩.৩৭ লক্ষ